fbpx

সূরা আর-রাহমান, ওয়াকিয়াহ, হাশরের ফযীলত | sura ar rahman, waqiah, hashr fojilot

Sharing is caring!

সূরা আর-রাহমান, ওয়াকিয়াহ, হাশরের ফযীলত sura ar rahman, waqiah, hashr fojilot:  আমরা অনেক সময়ে বিভিন্ন সূরার ফযীলত সর্ম্পকে জানতে চাই কিন্তু ঠিকমত পাই না হাতের কাছে। আর যে সূরাগুলার ফযীলত আমরা বেশি খুজি তা আপনারা পাবেন ধাপে ধাপে আমাদের এই সাইট এ। এছাড়া পাবেন বিভিন্ন ধরনের ইসলামিক অ্যাপসও। তাহলে চলুন দেখি আসি সূরাগুলোর কি কি  ফযীলত আছে। এই সূরাগুলো দেখোন আর আপনার জীবনে এই সূরাগুলোকে নিয়মিত ব্যবহার করুণ পড়ার মাধ্যমে।

sura ar rahman, waqiah, hashr fojilot | ফযীলত

সূরা আর-রাহমানের ফযীলত 

১। সূর্য উদয়কালে সূর্যের দিকে মুখ রাখিয়া এই সূরা পাঠ করিতে শুরু করিবে এবং প্রত্যেক ” ফাবি আইইয়্যি আলায়ি রাব্বিকুমা তুকাযযিবান” পাঠ করিবার কালে ডান হাতের শাহাদত আঙ্গুলী দ্বারা সূর্যের দিকে ইশারা করিবে। এইভাবে প্রত্যহ চল্লিশদিন পর্যন্ত ইহা আমল, আল্লাহ্‌র রহমতে সমস্ত মানুষ আমলকারীর বাধ্যগত ও আনুগত থাকিবে।

২। যে কোন নেক মনোবাসনার জন্য এই সূরা এগার বার তিলাওয়াত করিলে, আল্লাহ্‌র রহমতে মনোবাঞ্ছা পূর্ন হইবে।

৩। এই সূরা তিলাওয়াত করিয়া চক্ষু রোগের জন্য রোগীর চোখে ফুঁক দিলে, চুক্ষ রোগ আরোগ্য হইবে।

৪। যে কোন প্রত্যহ একাগ্রমনে এই সূরা পাঠ করিবে, তাহার প্রতি আল্লাহ্‌র রহমত বর্ধিত হইবে। তাহার জন্য দোযখের দরজা বন্ধ হইয়া যাইবে এবং ৮টি বেহেশতের ১৬টি কপাট তাহার জন্য উন্মুক্ত হইয়া যাইবে।

৫।  “ফাবি আইইয়্যি আলায়ি রাব্বিকুমা তুকাযযিবান”  এই আয়াতটি তিনবার পাঠ করিয়া কোন মজলিসে অথবা হাকিমের সম্মুখে উপস্থিত হইলে, পাঠকারী মান সম্মান ও উওম ব্যবহার লাভ করিবে।

৬। এই সূরা সবর্দা নিয়মিত পাঠ করিলে, তাহার চেয়ারা নূরানী হয়, এবং রুজী রোজগার রবকত লাভ করে।

সূরা ওয়াকিয়াহর ফযীলত

১। হযরত নবী করীম (ছঃ) এরশাদ করিয়াছেন, ইহা প্রাচুর্যের সূরা। যেই লোক এই সূরা প্রত্যহ রাত্রে তেলাওয়াত করিবে তাহার জিন্দেগীতে কোন সময় অভাব হইবে না।

২। কোন লোক এই সূরার আমল দ্বারা ধনী হইতে ইচ্ছা করিলে যে কোন শুক্রবার দিন ফজর নামায হইতে আরম্ভ করিয়া সাত দিবস পর্যন্ত প্রত্যেক ওয়াক্ত ফরজ নামাযের পরে এই সূরা পঁচিশ বার করিয়া পাঠ করিবে। এবং পরবর্তী শুক্রবার রাত্রে মাগরিবে নামাযের বাদে পচিঁশবার দরূদ শরীফ পাঠ করিবে। অতঃপর প্রত্যহ সকালে ও সন্ধ্যায় এই সূরা একবার করিয়া পাঠ করিতে থাকিবে। আল্লাহ্‌র রহমতে অল্প দিনের মধ্যে ধনী হইবে।

৩। হযরত আব্বাস (রা:) বর্ণনা করেন, এই সূরা লিখে গর্ভবতী নারীর শরীরে বেধে দিলে সহসা সন্তান ভূমিষ্ট হয়।

৪। এই সূরা কাগজে লিখিয়া কবজ বানাইয়া শরীরে ব্যবহার করিলে, আল্লাহ্‌র রহমতে বিপদাপদ হইতে রক্ষা পাওয়া যায় এবং বিযিক বৃদ্ধি হয়।

৫। এক স্থানে বসে মনোযোগের সাথে ৪১ বার পাঠ করলে রুযী রোযগার ও শক্তি সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। সূরাটি নিয়মিতভাবে পাঠ করলে সে সর্ব বিষয়ে লাভের মধ্যে থাকবে, লোকসান হবে না। 

সূরা হাশরের ফযীলত

১। কোন সমস্যা দেখা দিলে পূর্ণ একাগ্রতা ও পবিত্রতার সাথে ৪ রাকআত নফল নামায আদায় করবে। প্রতি রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা হাশর পাঠ করবে। নামায শেযে আল্লাহ পাকের দরবারে স্বীয় সমস্যা উল্লেখ করে দুআ করবে। ইনশাআল্লাহ্‌ অতি সত্বর সমস্যা সমাধান হবে।

২। নবী করীম (সাঃ) এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকালে ৩ বার “আউজুবিল্লাহছ ছামিয়িল আলিমি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম” পড়বে। পরে সূরা হাশরের শেয তিন আয়াত ১বার পাঠ করবে আল্লাহ্‌ তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেন, যারা সন্ধ্যা পর্যন্ত ঐ ব্যক্তির জন্য ইস্তেগফার করতে থাকে, সেদিন যদি তার মৃত্যু হয়, তা হলে সে ব্যক্তি শহীদী মৃত্যু লাভ করবে। 

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares