সূরা ফাতিহা, ইয়াসীন, দুখান এর ফযীলত | sura fatiha, yasin, dukhan fojilot

Sharing is caring!

সূরা ফাতিহা, ইয়াসীন, দুখান এর ফযীলতঃ  আমরা অনেক সময়ে বিভিন্ন সূরার ফযীলত সর্ম্পকে জানতে চাই কিন্তু ঠিকমত পাই না হাতের কাছে। আর যে সূরাগুলার ফযীলত আমরা বেশি খুজি তা আপনারা পাবেন ধাপে ধাপে আমাদের এই সাইট এ।

এছাড়া পাবেন বিভিন্ন ধরনের ইসলামিক অ্যাপসও। তাহলে চলুন দেখি আসি সূরাগুলোঢ় কি কি  ফযীলত আছে। এই সূরাগুলো দেখোন আর আপনার জীবনে এই সূরাগুলোকে নিয়মিত ব্যবহার করুণ পড়ার মাধ্যমে। 

সূরা ফাতিহা

১। হয়রত মোহাম্মদ (ছঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফাতেহারতুল কিতাব (সূরা ফাতিহা) আল্লাহ্‌ তা’আলা আমাকে আরশের নীচ হতে দান করেছেন। অন্যত্র রাসূলে করীম (ছঃ) এ সূরাকে উম্মুল কোরাআন বা কোরআন শরীফের মূল বলে আখ্যা দিয়েছেন।

২। হযরত জিব্রাঈল (আঃ) একদা রাসূলে করীম (ছ:) – কে বলেছেন যে, আল্লাহ্‌ আপনাকে দুটি নূর দান করেছেন, যা ইতিপূর্বে অন্য কোন পয়গম্বরকে দান করা হয়নি। এর একটি সূরা ফাতিহা এবং অন্যটি সূরা বাকারা।

৩। প্রত্যেক নামাযের প্রতি রাকআতে এ সুরাটি পাঠ করা হয় বলে একে “সুরাতুল সালাত” অর্থাৎ নামাযের সূরাও বলা হয়ে থাকে।

৪। জ্বরের রোগীকে এ সূরা পড়ে পানিতে ফুঁকিয়ে সে পানি রোগীকে খাওয়ালে জ্বর ছেড়ে যাবে।

সূরা ইয়াসীন 

১। হযরত নবী করীম (ছ:) এরশাদ করিইয়াছেন – যেই লোক সূরা ইয়াসীন একবার তিলাওয়াত করিবে, সে ব্যক্তি দশবার কোরআন শরীফ খতম করিবার ছওয়াব লাভ করিবে এবং তাহার সমস্ত গুনাহ মাফ হইয়া যাইবে।

২। হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে – যদি কোন লোক রাত্রিকালে সূরা ইয়াসীন তিলাওয়াত করিয়া নিদ্রা যায়, তবে সে ব্যক্তি নিস্পাপ হইয়া সকাল বেলা নিদ্রা জাগরিত হইবে। আর যেই ব্যক্তি এই সূরা প্রত্যহ তিলাওয়াত করিবে, তাহার জন্য কিয়ামতের দিবসে আল্লাহ্‌ তায়ালার দরবারে ইহা তাহার জন্য শাফায়াত করিবে।

৩। বুজুর্গ ব্যক্তিগণ বলিয়াছেন – যেই ব্যক্তি বিপদাপদের সময় এবং রোগ শয্যায় এই সূরা তিলাওয়াত করিবে, আল্লাহ্‌র রহমতে সে ব্যক্তি মুক্তিলাভ করিবে।

৪। আর এই সুরা মুমূর্ষ ব্যক্তির শিয়রে বসিয়া তিলাওয়াত করিলে, তাহার মৃত্যুযন্ত্রণা লাঘব হইবে। এবং কররের নিকট তিলাওয়াত করিলে, কবর আযাব মাফ হইবে।

৫। হযরত নবী করীম (ছঃ) ফরমাইয়াছেন – যেই লোক এই সূরা নিয়মিতভাবে প্রত্যহ তিলাওয়াত করিবে, তাহার জন্য বেহেশতের আটটি দরজা উন্মুক্ত থাকিবে।

৬। এই সূরা তিলাওয়াত করিয়া পাগল ও জিনে পাওয়া রোগীর শরীরে ফুঁক দিলে আল্লাহ্‌র রহমতে শাফা লাভ করিবে।

সূরা দুখানঃ

তিরমিযী শরীফে হযরত আবু হোরায়রা (র:) হতে বর্ণিত হইয়াছেঃ 

১। হযরত রাসূলে আকরাম (সাঃ) বলেন – যে ব্যক্তি রাত্রিকালে এ সূরাটি পড়িবে, সে এমন অবস্থায় প্রভাতে জাগ্রত হইবে যে, ৭০ হাজার ফেরেশতা তার জন্য দোয়ায় রত থাকিবেন।

২। যে ব্যক্তি শুক্রবার রাত্রে এই সুরাটি পাঠ করিবে, সে আল্লাহ্‌র দরবারে মাগফেরাত পাইবে। 

You May Also Like

One thought on “সূরা ফাতিহা, ইয়াসীন, দুখান এর ফযীলত | sura fatiha, yasin, dukhan fojilot

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares