Best Bangla love story | Bengali love story – ভালোবাসার গল্প

Sharing is caring!

Best Bangla love story | Bengali love story – ভালোবাসার গল্প: আমরা ভালোবাসার গল্প শুনতে এবং বলতে সবাই পছন্দ করি তাই না? ভালোবাসাতো শুধু ছেলে এবং মেয়ের মাঝেই হয় না এটা হয় মা বাবার সাথে ভাই বোনের সাথে আর বন্ধুর এবং বন্ধুদের সাথে আর স্বামী স্ত্রীর সাথে। আমরা এইসব গল্পগুলোই এখানে বলব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আরো বিভিন্ন গল্প শুনতে এবং পেতে এই লিংকে চলে জান।

List of Bangla love story | গল্প

ভালোবাসার বন্ধন! গল্প

Brother and sister love story bangla

বড় ভাইয়াকে চুপচাপ বারান্দায় বসে থাকতে দেখে, কাছে যাবে কি যাবে না – সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না নুসাইবা। আগামীকাল ভাইয়ার বিয়ে। তাই তাঁর জীবনের মাহেন্দ্র প্রহর বা শুভক্ষণ এখন।

এই সময় সবাইকে একাকী স্বনিমগ্ন থাকতে দেয়া উচিত। কিন্তু প্রিয় ভাইয়াকে একাকী বসে থাকতে দেখে কাছে যাবার ইচ্ছেটা দমাতে পারছে না নুসাইবা।

তাছাড়া ভাইয়া এখনো রাতের খাবার খায়নি। শেষ পর্যন্ত কাছে গিয়ে বলল, ভাইয়া তুমি খাবে না? অনেক রাত হয়ে গেছে। চলো তোমাকে খাবার দেই।

এখন একদম খেতে ইচ্ছে করছে না, একটু পড় খাবো। তুমি আমার কাছে বস। দুই ভাই – বোন মিলে গল্প করি কিছুক্ষণ। বসে বসে বুঝি ভাবীর কথা ভাবছ?

কিন্তু তোমাকে এতো চিন্তিত লাগছে কেন? তোমার তো আল্লাহ্‌র কাছ শুকরিয়া আদায় করা উচিত।

কেন?

কারণ ভাবী আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেনি।

কী হতো সেখানে জন্মগ্রহণ করলে?

আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের বাসররাতে তাঁর মায়ের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক! সারাক্ষণ তোর মাথায় মধ্যে শুধু দুষ্টুমি খেলা করে, তাই না!

হুম, কারণ আমি সারাক্ষণ আমার ভাইয়াকে হাসিখুশি দেখতে চাই। তুমি এমন চিন্তিত হয়ে কী ভাবছ ভাইয়া? বইয়ের পরের কথা ভেবে খুব চিন্তিত তুমি, তাই না ভাইয়া?

সত্যিই খুব চিন্তা হচ্ছে। নতুন একটা জীবনে পদার্পন করতে যাচ্ছি। নতুন একজন মানুষ আসছে জীবনে। অনেক বড় একটা দায়িত্ব এটা।

হুম, একটা মেয়ের সারাজীবন হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছ তুমি, চিন্তা তো হবেই। তবে আমি খুব আনন্দিত। তুমি জান, আমার সব বান্ধবীর ভাবী আছে।

ওরা কতো মজা করে ভাবীদের বদনাম করে, আর আমি, অসহায়ের মত চুপ করে বসে থাকি। তবে আজ রাতটা পোহালেই আমার সুদিন সমাগত, ইনশাআল্লাহ্‌!

তোর মাথায় সবসময় দুষ্টুমি – কথা রেডিই থাকে নাকি?

আরো গল্প পেতে হলে যান এখানেঃ ভিউ

তবে যাই বল ভাইয়া, বাড়িতে একটা ভাবী না থাকলে কি সংসার চূর্ণ করে দেয়, তখন কী হবে?

এভাবে বল নাতো ভাইয়া! এভাবে বলে মেয়েদেরকে এক হিসেবে ছোট করা হয়। এখনো সংসার ভাঙ্গা নয়, সংসার গড়ে – এমন মেয়ের সংখ্যাই বেশি।

তুই তো সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছিস। আমি তো এমনিতেই মজা করছিলাম। আচ্ছা বল দেখি, তোর কেমন ভাবী পছন্দ?

সর্বগুনসম্পন্না।

যেমন?

আমাদের মার মতো । বুঝতে শেখার পর থেকে আমরা তো এটাই দেখেছি, মা তাঁর দায়িত্ব-কর্তব্য কতো সুন্দর ও সঠিকভাবে পালন করে আসছেন। যত কষ্ট আর ঝামেলাই হোক না কেন, মা হাসিমুখে মেনে নেন।

সমস্যা হলেও কাউকে বুঝতে দেন না। শত চিন্তার পাহাড় মাথায় নিয়েও হাসিমুখে থাকেন। আমাদের মা তো দুনিয়ার সফল স্ত্রী আর সফল মায়েদের একজন। প্রথমেই এমন কাউকে চাওয়া কি ঠিক হবে?

ভাইয়া মাকে দেখে ক’দিন আগেও আমি ভাবতাম, একজন মানুষ হাসতে হাসতে এতো কাজ কীভাবে করতে পারে! আমি অনেক ভেবেছি। তারপর মনে হলো, যখন একটি মেয়ের বিয়ে হয়, তখন শয়ে মেয়ে থেকে নারীতে পরিণত হয়।

আর এই অনুভব তাকে দৃঢ় আর শক্তিশালী বানীয়ে দেয়। অবশ্য এটা ঠিক যে, সব মেয়েদের ক্ষেত্রে এমন হয় না। না হবার পিছনে কারণ কী বলে মনে হয় তোর?

কারণ, বিয়ের পড় স্ত্রী তো সব মেয়েই হয়। কিন্তু জীবনসাথী সেই হতে পারে যে অর্ধাঙ্গিনী হয়। অর্থাৎ স্বামীর সবকিছুই যে ভাবে করে নেয়,জীবনের চালর পথে যে স্বামীকে যুক্তি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করে, তাঁর প্রেরণার উৎস হয়,

সংসারকে যে একডোরে বেঁধে রাখে, পরিবারের সব সদস্যদেরকে যে ভালোভাসে, খেয়াল রাখে। আমি আমার ভাইয়ার জন্য এমন কোনো জীবনসাথী চাই, শয়ে আমার ভাইয়ার অর্ধাঙ্গিনী হবে।

আর যদি এমন না হয়?

তোমার মনে আছে ভাইয়া? একদিন বাবা বেলছিলেন, বিয়ে মানুষকে দায়িত্বশীল ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। বিয়ে বজায় থাকে বিশ্বাসের ওপর।

তাই লক্ষ্য রাখা উঠিত দু’জনের মধ্যে যেন শ্রদ্ধা-সম্মান, ভালোবাসা-বিশ্বাস ও মূল্যায়নের কোনো ঘাটতি না থাকে। দু’জন যেন সর্বক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগী হয়।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে, দু’জনের মনেই শরীয়তের পূর্ণ জ্ঞান থাকা। তাহলে শরীয়তের জ্ঞানেই তাদেরকে সকল মঙ্গল কাজ করিয়ে নেবে। আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে আমরা তো দীনদারী দেখেই ভাবী নির্বাচন করেছি।

আর আমাদের পরিবারের সবাইও শরীয়তের বিধান মেনে চলতে যথাযথ চেষ্টা করি। ইনশাআল্লাহ্‌! আমরা সবাই পরিবারের শান্তি প্রতিষ্ঠায় একে অপরের সহযোগী হবো।

আলহামদুল্লিয়াহ! তোর কথা শুনলে মন সত্যিই চিন্তামুক্ত হয়ে যায়। তাহলে এখন খেতে চলো। নয়তো আমার বকবকের কারণ তুমি তোমার জীবনের মাহেন্দ্র প্রহর উপভোগ করতে পারবে না। হ্যাঁ, চল খেতে যাই। তা না হলে তোর কটর কটর শুনতে শুনতেই রাত পেরিয়ে যাবে!

সুতো ছাড়াই ঘুড়ি! গল্প

Bangla love Story

একবার বাবা-ছেলে ঘুড়ি উড়ানোর উৎসবে যান। রঙিন ঘুড়িতে ভরা আকাশ দেখে তরুণ ছেলেটি খুব খুশী হল। তিনিও তার বাবাকে একটি ঘুড়ি এবং বেলন দিয়ে একটি সুতোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন যাতে তিনিও ঘুড়িটি উড়তে পারেন।

তো, বাবা যে পার্কে উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেই দোকানে গিয়েছিলেন। তিনি ছেলের জন্য ঘুড়ি এবং একটি সুতার  রোল কিনেছিলেন।

তার ছেলে ঘুড়ি উড়তে শুরু করে। শীঘ্রই তার ঘুড়িটি আকাশে উঁচুতে পৌঁছেলো। কিছুক্ষণ পরে, ছেলেটি বলল, “বাবা, মনে হচ্ছে যে সুতোটি ঘুড়িটিকে উড়তে ধরে রাখছে, যদি আমরা সূতাটি কেটে ফেলি তবে এটি সুন্দর করে উড়তে পারবে ।

আমরা কি এটি কেটে ফেলতে পারি? ”তো, বাবা বেলন থেকে সুতা কেটে ফেলল। ঘুড়িটি আরও কিছুটা উপরে যেতে শুরু করে। এটি একটি পুত্রকে খুব খুশি করেছিল।

তবে তারপরে আস্তে আস্তে ঘুড়ি নেমে আসতে লাগল। এবং শীঘ্রই এটি অজানা ভবনের ছাদে পড়ে গেল। তরুণ ছেলেটি এই দেখে অবাক হয়েছিল। তিনি তার সুতোর ঘুড়িটি কেটে আলগা করে দিয়েছিল  যাতে এটি উঁচুতে উড়তে পারে তবে পরিবর্তে এটি নিচে পড়ে যায়।

তিনি তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “বাবা, আমি ভেবেছিলাম যে সুতার কাটা পরে ঘুড়ি নির্দ্বিধায় উঁচুতে উড়তে পারবে। তবে কেন তা পড়ে গেল? ”

পিতা ব্যাখ্যা করেছিলেন, “পুত্র, আমরা যে জীবনের উচ্চতায় বাস করি, আমরা প্রায়শই মনে করি যে আমাদের সাথে কিছু জিনিস বাঁধা আছে এবং তারা আমাদের আরও উঁচুতে যেতে বাধা দিচ্ছে। সূতাটি ঘুড়িটিকে আরও উপরে উঠতে আটকে রাখেনি, তবে এটি বাতাসের গতি কমার সময় এবং এ বাতাস যখন উপরে উঠতে পারে তখন এটি উঁচুতে থাকতে সহায়তা করেছিল, তোমার  সুতোর মাধ্যমে একটি সঠিক দিকের দিকে ঘুড়িটিকে উপরে যেতে সহায়তা করেছিল। এবং যখন আমরা সূতাটি কেটে দিলাম, তখন সূতাটি সাহায্যে ছাড়া ঘুড়িটি মাটির নিচে পড়ে যায়।

ছেলেটি তার ভুল বুঝতে পেরেছিল।

নৈতিক: কখনও কখনও আমরা অনুভব করি যে আমরা যদি আমাদের পরিবার, আমাদের বাড়ির সাথে আবদ্ধ না হয়ে থাকি আমরা দ্রুত উন্নতি করতে পারি এবং আমাদের জীবনে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারি। তবে, আমরা বুঝতে পারি না যে আমাদের পরিবার, আমাদের প্রিয়জনরা তাদের সমর্থনে আমাদের কঠিন সময়ে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে এবং আমাদের জীবনের উচ্চতায় পৌঁছাতে উৎসাহিত করে। তারা আমাদের ধরে না, বরং আমাদের সমর্থন করছে। কখনও তাদের ছেড়ে যেতে দেবেন না।

মা ছেলের ভালোবাসা আর মজার গল্প!

Mother and son love story bangla

আমার ছোট ছেলেটার খৎনা করার পর থেকেই বাসায় সবাই একটা আতঙ্কিত অবস্থায় আছি। প্রথম কয়দিন ব্যথা বেদনা নিয়ে ছিল। কোন আতঙ্ক ছিল না। এখন ব্যথা নাই। বেদনা নাই। কিন্তু সবার মাথা ব্যথার কারণ হয়ে গেছে ছেলেটা।

বাসায় যেই আসুক, সবার সামনেই প্যান্ট খুলে দেখিয়ে বলে, ‘দেখছোনি দাক্তার বেতা আমি নুনু কাতি দিসে।’ এইটুকু তাও মানা যায়। বাচ্চা ছেলে। বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। সবাই শুনে মজাই পায়।

গণ্ডগোল দেখা দিলো ওর নানা যেদিন ওকে দেখতে আসে সেদিন থেকে। আমার শ্বশুর মশাই ঘরে ঢুকে বসতেও পারেনি তখন। ছেলে ঢ্যাং ঢ্যাং করে নানু ভাই বলে চিৎকার করে বলে উঠলো, ‘নানু ভাই, দাক্তার বেতা আমার নুনু কুত করি কাতি দিসে। তোমার নুনু কাটছে নাকি দেকিতো। দেকাও তো।’ এই বলে ওর নানার প্যান্ট ধরে টানাটানি শুরু করে দিলো।

ইজ্জতের চল্লিশা বলে যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে এটাই সেটা। আমার বাবা ওর মুখ চেপে ধরে বলে, ‘ছিঃ দাদাভাই, এসব পচা কথা বলে না।’ ও তানাবানা করে কোন রকমে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বলে, ‘দাদাভাই তোমার নুনু কাতছে নাকি দেকি তো।’ বাসার সব পুরুষ মানুষ গুলা পরেছে বিপাকে। মহিলারা না পারছে জোরে হাসতে। না পারছে হাসি চাপিয়ে রাখতে। না পারছে কিছু বলতে। বউ আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসে। গা জ্বলে সেই হাসি দেখলে। এক ফাঁকে কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলে গেলো, ‘ছেলে জিজ্ঞাস করলে ঠিকঠিক উত্তর দিও কিন্তু।’

আগে জানতাম ঘরের শত্রু বিভীষণ। এখন দেখি বিভীষণের জায়গা পুরোদমে দখল করেছে বউ। কোথায় ছেলেকে একটু শাসন করবে তা না। উলটা ছেলেকে আরো উস্কায়। নিজের ভাইকে পর্যন্ত ফাঁসায়। ছেলেকে বলে, ‘মামাকে জিজ্ঞাস করো বাবাই।’ ওর মামাকে সেদিন দেখে আমার এতো মায়া লাগছিলো।

ইচ্ছে করছিলো বেচারার মাথায় হাত বুলিয়ে বলি, ‘কি করবি ভাই। কিছু করার নাই। যার এমন একটা বোন আছে। তার দুনিয়াতে আর শত্রু না থাকলেও চলে। আল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌ কর।’

বড় মেয়ের প্রাইভেট টিউটরকেও পাকড়াও করে ছেলে। সেই মাস্টার সেই যে গেছে আজ চার দিন হলো আসার কোন নাম গন্ধ নাই। কি বলে খুব অসুস্থ। অসুস্থ নাকি কি সেটা তো বুঝি। আমি মেয়ের পড়ালেখা কেমন চলছে জিজ্ঞাস করতে গিয়েছিলাম।

পিছনে পিছনে কখন যে সেখানে এসে আমার গুণধর পুত্র হাজির হয়েছিলো টেরও পাইনি। মেয়ের টিচারকে সরাসরি জিজ্ঞাস করছে, ‘তিচার, তুমি কি মুতুলমান অইতো। তোমার নুনু কি দাক্তার কাতি দিসে। আমি মুলুতমান অই গেতি।’

ছেলের কথা শুনে মেয়ের দেখি মুখ লাল হয়ে গেছে। ও কি করবে বুঝতে পারছে না। ওর টিচারের অবস্থা আরো শোচনীয়। ছাত্রীর সামনে এমন কথা সে যে শুনবে এমনটা মনে হয় দুঃস্বপ্নেও দেখেন নাই। আমি ছেলের মুখ চেপে ধরে বগলদাবা করে আমাদের রুমে নিয়ে এলাম। আমার প্রায় পিছন পিছন মেয়েও রুম থেকে দৌড়ে বের হলো।

একটু পরে রান্না ঘরে মা মেয়ের সে কি হাসি। মেয়েটাও হয়েছে মায়ের কার্বন কপি। একটু পরে বউ এসে টিচারকে বলল, ‘আজ আপনি চলে যান। ও পড়বে না।’ বলে টিচারের সামনেই বউ দম ফাটানো হাসি দিলো। টিচার তো আর দুনিয়ায় নাই। পুরুষের আছেই এই এক সম্বল। তার অবস্থা এখন কম্বল।

টিচার যাওয়ার পরে বউকে দিলাম একটা রাম ঝাড়ি, ‘এটা কি রকম অসভ্যতা। মেয়ের টিচারের সামনে এভাবে হাসলে কেন? এমন একটা অস্বস্তিকর অবস্থায় কেউ হাসে? উনি কি মনে করবেন এখন! ভাববে একটা অভদ্র মহিলা তুমি।’

বউকে কি বলি আর বউ করে কি। ও হাসতে হাসতে পেট চেপে কোন রকমে বলল, ‘যা মনে হয় ভাবুক গিয়ে… পেটের ভিতরে হাসি আরেকটু হলেই বাস্ট করতো… হিহিহি! তিচার তুমি মুতুলমান অইতো! হিহিহি…হিহিহি!’ কাকে কি বলি আমি। বউয়ের মাথায় মস্ত ডিফিকাল্টিজ আছে।

আমিও এখন বাসায় আসি একটু দেরি করে। বাবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পরে। এখানে ওখানে ঘুরি। কোন বন্ধুকে পেলে আড্ডা দেই। কারণ আরেক ডিফিকাল্টিজ এসে হাজির হয়েছে বাসায়। বউয়ের তিড়িংতিড়িং লেঞ্জা- আমার ছোট শ্যালিকা। মান ইজ্জৎ যতোটা পারি নিজেকেই তো সামলাতে হবে। ছোট শ্যালিকার সামনে বাবাই এমন কিছু বললে সেটা আমি মরার আগ পর্যন্ত ওর মুখে শুনবো।

mother and son quotes bangla

সেদিন সবাই মিলে শপিংয়ে গিয়েছিলাম। আমার গুণী পুত্রধন দোকানের সামনে রাখা একটা ডামি বাচ্চাপুতুলের প্যান্ট ধরে টান দিয়ে বলে, ‘বাবা দেকো ইতার নুনু নাই। দাক্তার বেতা কুত করি কাতি দিতে। ইতার নুনু তুতায়?’ আমি ছেলের মুখ চেপে পাজকোলা করে তুলে নিলাম। সেসময় সেলস গার্ল দুইজন বের হয়ে আসলো।

এসে দেখে ডামির প্যান্ট নামানো। ছেলে আমার কোল থেকে ছেচড়ে নেমে গিয়ে সেলস গার্লদের বলল, ‘ইতার নুনু কই। তোমরা কাতি দিছো। তোমরা মুতুলমান হইতো। দেকি তো হইতো কিনা।’

সেলস গার্ল দুইটা ছেলের কথা শুনে চোখাচোখি করে হাসছিলো। আমি কোনো রকসে মেয়ে দুইটাকে স্যরি বলে ছেলেকে নিয়ে পগারপার হলাম। আমার পুত্রধন ছেলে মেয়ে সবাইকেই নিজের মুসলমানির কথা বলে। আর ওরা মুসলমান হয়েছে কিনা দেখতে চায়। কি যে এক বিড়ম্বনার মধ্যে আছি বলে শেষ করা যাবে না। কবে যে ছেলের এই জ্বালা যন্ত্রণা কমবে কে জানে।

একবার বিয়ের প্রথম প্রথম শ্বশুরবাড়ি গিয়েছি। ওরা ভাইবোন সবাই মিলে রাতে আড্ডা দিচ্ছিলো। আমার এসব আড্ডা ফাড্ডা পছন্দ না। রাত বাজলো দেড়টা। ঘুমও আসে না। নতুন বিয়ে। বউ ছাড়া বিছানা মানে লবণ ছাড়া তরকারি। লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে ড্রয়িংরুমের দরজার কাছে গিয়ে বউকে ডাক দিয়ে বললাম, ‘এই একটু শুনে যাও তো।’ ব্যস! কপাল পুড়লো। ভাঙ্গা রেকর্ডও বাজতে থাকলো। শ্যালিকা এখনো পর্যন্ত সবার সামনে আমাকে খোঁচা মেরে বলে, ‘এই একটু শুনে যাও তো।’

আমার শ্বশুর শাশুড়িকে পর্যন্ত সকালে নাস্তার টেবিলে বলে দিলো, ‘দুলাভাই তো আপুকে ছাড়া ঘুমাইতে পারে না। কত সুন্দর করে মিউমিউ করে ডাকলো- এই একটু শুনে যাও তো।’ ওনারা দু’জনে রাগ দেখালেন ঠিক; কিন্তু ঠোঁটের কোণে গা জ্বালানো হাসির আভা। এরা পুরা ফ্যামিলিই একটা ডিফিকাল্টিজ ফ্যামিলি। এখন বুঝি সেদিন লজ্জা শরমের মাথা খাওয়া উচিৎ হয়নি।

বাচ্চারা নতুন কিছুতে বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কিন্তু বাবাই তো দেখি একেবারেই উলটা। ও এই ব্যাপারটা ভুলছেই না। ওকে এটা ভুলাতে নতুন কিছু একটা করা লাগবে। বকা দিয়ে লাভ নাই। আসলে ছেলের মাথা খাচ্ছে ওর মা।

ছেলে গতকাল ঘুমানোর আগে ওর মাকে বলছিল, ‘মা আমার ইতার একতা তেপ্পি (সেলফি) তুলি দাও তো।’ ওর মাও দেখি মহা উৎসাহে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তুলছে। আর আমার দিকে সেই গা জ্বালানো হাসি দিচ্ছে। ঠিক ঐ সময় শ্যালিকা কেন যেন রুমে এলো। আর আমার কি ভাগ্যবানের কপাল। বাবাই ওর মাকে বলল, ‘বাবারতারও তেপ্পি তুলি দাও। আমি তুমি খামনি এক তাতে।’ (Collected)

বউ, শুশুর শাশুড়ির মিষ্টি ! গল্প

Bangla love story (Family short story)

নরমালি বাসার সবাই একটু আকটু রূপচর্চা পছন্দ করে না, তাও আবার শ্বশুর বাড়ি বলে কথা।
সন্ধ্যায় প্যাক টা মেখে একটু ফ্যানের বাতাসে শুকাচ্ছিলাম। পুরো মুখ টা সাদা হয়েছিল, আর গোল গোল করে দুটো শশা কেটে চোখে রেখে দিয়েছি।


হঠাৎ করে রুমু রুমু বলে শ্বশুর বাবা ডাকছিল। আমি শুধু হুম হুম করে যাচ্ছি,
বাবা ডাকছে আর বলছে রুমু, ফ্রীজে একটা শশা রেখেছিলাম খাবো বলে কোথায় সেটা?
আমি কথা বলতে না পেরে আবারও হুম হুম করে যাচ্ছিলাম। আমার রুমের দরজা টা একটু খুলে বাবা উঁকি দিয়ে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে জোরেশোরে একটা চিৎকার দিয়ে আরেক ঘরে চলে যায়।


আমি খুব ভয় পেয়ে শশা দুটো চোখ থেকে সড়িয়ে সাথে সাথে রুম থেকে বের হয়ে যাই, যেয়ে দেখি বাবা, মাকে বলছে,


তোমার ছোট বউ এর ঘরে অন্য কোনো ভুত দেখে আসছি। মা একটু হতভম্ব হয়ে বলতে লাগলো, ভুত দেখলে! কি বলো!


আমি সাদা মুখ নিয়ে বাবা আর মাকে বললাম, বাবা আমি ভুত না, আপনার ছেলের বউ।
মা, এই প্রথমবার এভাবে দেখে চমকে গিয়ে সেও একটা চিৎকার করে বলে, এই মেয়ে এসব কি দিয়েছো মুখে!


-আমি তো একটু রূপচর্চা করছিলাম মা। এসব দিলে একটু সুন্দর হওয়া যায় আর কি।
-হয়েছে হয়েছে, এতো সুন্দর হতে হবে না।


একটু রাগ দেখিয়ে সে চলে গেলো। আমি আবারও রুমে এসে চোখে শশা দিয়ে বসে রইলাম।


কিছুক্ষণ পর, আস্তে আস্তে করে আমার শাশুড়ী এসে আমায় বলল, রুমু রে, ও রুমু,
একচোখের শশা সড়িয়ে বললাম, মা কিছু বলবেন?


একটু কাচুমাচু হয়ে সে বলে,
-শোন, তোর বাবা যখন আমার সাথে ঝগড়া করে, তখন আমায় এই প্যাক টা লাগিয়ে দিবি.? রাত হলে ভয় দেখাবো!


আমার হাসি মনে হয় আর চেপে রাখতে পারছিলাম না। তবুও ভিতরে ভিতরে একটু হেসে নিলাম।
-ঠিক আছে মা, করে দিবো। আপনি এখন যান, আমি আসছি।


পরদিন, বাবা বলছে,
-শোন রুমু, তুই যেটা মেখেছিলি একদম ভয় পেয়েছিলামরে মা। একটা কাজ করবি?
এখন আবার এই টা দিয়ে তার কি কাজ হবে কে জানে?


– কি করতে হবে বাবা?
– তোর শাশুড়ীর সাথে প্রায় সময় ঝগড়া লাগে৷ যখন লাগবে আমায় তখন মেখে দিবি? ভয় দেখাবো।


কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলাম, মনে মনে ভাবছি সেইম কথা শাশুড়ীও বলে গেছে। এখন আবার বাবাও!
-আচ্ছা বাবা দিবো। কিন্তু ঝগড়া লাগবে কখন?
-ইচ্ছে করে আজ রাতেই লাগাবো। তুই কিন্তু দিবি।
.
ঠিক তাই হলো, তারা দুজনেই ইচ্ছে করে ঝগড়া লাগাতে ব্যস্ত। প্রথমে মা এসে বলছে, রুমু রুমু জলদি মেখে দে।
তারপর লাগিয়ে দিয়ে বললাম, এখনি বের হবেন না মা, একটু পর। উনি মাথা নাড়িয়ে সায় দিলেন।
.
আমি রুম থেকে বের হয়ে বাবাকে ডাকলাম। সেও তার রুমে নিয়ে বলল, রুমু জলদি মেখে দে।
কি করার, বড়দের আদেশ তো মানতেই হয়।
দিলাম মেখে,!


মা বাবাকে ডাকতে ডাকতে বের হলেন, বাবাও রাগি রাগি ভাব নিয়ে মায়ের কাছে গেলেন। গিয়েই দুজনে একটা জোরেশোরে চিৎকার।
আমি রুম থেকে বের হয়ে টানা পাঁচ মিনিট হেসে নিলাম। (collected)

Summary
Article Name
Best Bangla love story
Description
সেরা গল্পঃ বড় ভাইয়াকে চুপচাপ বারান্দায় বসে থাকতে দেখে, কাছে যাবে কি যাবে না - সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না নুসাইবা। আগামীকাল ভাইয়ার বিয়ে। তাই...
Author
Publisher Name
Bangla Amader

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares